
কাছাড়ে একজনকে পিটিয়ে হত্যা; "একটি সশস্ত্র সংঘর্ষের ফলে এমনটা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে," এসডিপিও
আফজল হোসেন মজুমদার নামে এক ব্যক্তির মৃতদেহ পাওয়া গেছে। তার ওপর দা সহ একাধিক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল সন্ধ্যায় জয়পুর থানার অন্তর্গত হরিনগর, এলাকার ব্রেইন নগর এলাকায়।
নিহত আফজল হোসেন মজুমদারের মায়ের অভিযোগ, ছয় থেকে সাতজন দুর্বৃত্ত তাদের বাড়িতে ঢুকে আফজলকে মারধর শুরু করে। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, একাধিক সশস্ত্র হামলার পরে আফজল ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায়। দুষ্কৃতীরা কেন তাকে লাঞ্ছিত করেছে জানতে চাইলে তিনি উত্তর দেন, “আমার ছেলে কখনো নামাজ পড়ে না কিন্তু কিছুদিন আগে, কেউ বাড়িতে একটি কালী মূর্তি স্থাপন করেছিল এবং তাই, সেও কালীর পূজা শুরু করেছিল। যেহেতু সে উভয় প্রকরণ পালন করছিল, তাই আমরা কখনোই কিছু বলিনি। কিন্তু তারা তাকে পিটিয়ে মেরেছিল কারন সে কালীর পূজা শুরু করছিল।”
স্থানীয়রা অবশ্য পাল্টা বলছেন যে, তিনি কালী পূজার গল্প তৈরি করেছেন। তারা অভিযোগ করেছে যে আফজল হোসেন মজুমদার এলাকার একজন ভয়ঙ্কর ডাকাত এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলা রয়েছে। প্রসঙ্গত, গত মাসে তার বিরুদ্ধে জয়পুর থানায় দুটি মামলা হয়।
এটা মব-লিঞ্চিং-এর ঘটনা কিনা জানতে চাইলে লক্ষীপুরের এসডিপিও কুলপ্রদীপ ভট্টাচার্য বলেন, “প্রাথমিক দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে এটা একটা মারামারির ফল। পাঁচ-ছয়জনের মধ্যে কিছু শত্রুতা ছিল এবং তাদের মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ হয়েছিল। দুই পক্ষের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তদন্ত চলছে এবং আমরা কয়েকজনকে শনাক্ত করেছি, শীঘ্রই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের আটক করব।”
তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্র নিশ্চিত করেছে। শুধুমাত্র সঠিক পুলিশ তদন্তেই নিশ্চিত হবে যে, কালী পূজা করার কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে নাকি এটি একটি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।
Comments are closed.