
প্রিমিয়ার ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে যোগাযোগ, ছিটকে গেল টাউন ক্লাব
চমকই বটে! শিলচরে চলতি অসম প্রিমিয়ার ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে জায়গা করে নিল যোগাযোগ সংঘ। রবিবার তারা শক্তিশালী টাউন ক্লাবকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বড়সড় একটা অঘটন ঘটিয়ে দেয়। খুব কমই এমন কিছুর প্রত্যাশা করেছিলেন। তবে এটাই ক্রিকেট। এই ম্যাচে তো বটেই, টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট ছিল টাউন ক্লাব। যোগাযোগের বিরুদ্ধে তাদের একাদশে ছিলেন তিনজন রাজ্য দলের তারকা। তবে প্রীতম দাস, রাহুল সিং এবং অভিষেক ঠাকুরি থাকা সত্ত্বেও হেরেই মাঠ ছাড়তে হলো টাউন ক্লাব কে। এর ফলে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেল তারা। আর ফাইনালে জায়গা করে নিল যোগাযোগ সংঘ। এবার খেতাবি লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ ইন্ডিয়া ক্লাব।
এদিন সতীন্দ্র মোহনদেব স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় টাউন ক্লাব। দুই ওপেনার অমন সিং ও রাজ্য দলের তারকা অভিষেক ঠাকুরি দলের শুরুটা দারুণ করে দেন। প্রথম উইকেট এর জন্য দু’জনে যোগ করেন ৮৭। তবে অমন (৪২) ফিরে যেতেই নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে তারা। এক উইকেটে ৮৭ থেকে ১৫৪ রানে অলআউট হয়ে যায় টাউন ক্লাব। ৩১.২ ওভারে। ব্যর্থ হন অভিষেক দেব, কৃশানু দত্ত, সমীক দাস এবং প্রীতম দাস। দুরন্ত অর্ধশতরানের ইনিংস খেলেন ঠাকুরি। তিনি ৬৮ বলে খেলেন ৭৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। এনিয়ে টানা দু ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি করলেন এই বাঁহাতি তারকা। তবে দলের বাকিরা চরম ব্যর্থ হওয়ায় তার ইনিংস কোন কাজে এলোনা। ৫ উইকেট শিকার করে টাউনের ইনিংসে ধস নামান যোগাযোগের ডানহাতি অফ স্পিনার সমির সিনহা। এজন্য কেবল ১৪ খরচ করেন তিনি। এছাড়া চার উইকেট নেন বিকিরণ দাস।
জবাবে ৩৪.৪ ওভারে পাঁচ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় যোগাযোগ। চাপের মধ্যে অর্ধশত রানের ইনিংস খেলেন রোশন টিপনো (৫০)। এছাড়া দেবাংশু শর্মা (৩৪) ও গৌরব টিপনো (৩০) উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। দুই উইকেট নেন টাউন ক্লাবের বাঁহাতি স্পিনার সুদর্শন সিনহা।
এই হারের ফলে গ্রুপের দুটি ম্যাচ জিতলেও ফাইনাল খেলা হচ্ছে না টাউন ক্লাবের। কারণ যোগাযোগ সংঘ গ্রুপ বিতে তাদের তিনটি ম্যাচে জয়ী হয়েছে।
Comments are closed.