
ওর্গানিক শাকসব্জির ভাণ্ডার নিয়ে শিলচরে 'কিষাণ মেলা ২০১৮'
জৈব পদ্ধতিতে শাকসব্জি চাষের উন্নয়নের লক্ষ্যে বরাক উপত্যকায় বিভিন্ন কাজ করে যাচ্ছে সামাজিক সংস্থা সেবা কেন্দ্রের শিলচর শাখা। শুক্রবার শহরে ‘কিষাণ মেলা’ নামের একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করেন সংস্থার সদস্যরা।
সোনাই রোডে বিশপ চার্চের সামনে এদিন সকাল ১০টায় প্রদর্শনীটি শুরু হয় এবং বরাক উপত্যকার তিন জেলা থেকে আসা কৃষকরা জৈবিক সার দ্বারা উৎপাদিত শাকসব্জির ভাণ্ডার নিয়ে এতে অংশগ্রহণ করেন।
দিল্লি ভিত্তিক সামাজিক সংস্থা কুরিতাস ইন্ডিয়া এই অর্গানিক ফার্মিং এর ‘ফার্ম নর্থইস্ট -2’ প্রকল্পের অধীনে এই উদ্যোগটিকে সমর্থন করে।
মেলাটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রকল্প সমন্বয়কারী, পি চৌধুরী, নাবার্ডের ডিডিএম এন সিংহ, পিএইচএমআরআই এর জোনাল ম্যানেজার অভিজিত ভট্টাচার্য, শিলচর পুরসভার সিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার পারিজাত ভট্টাচার্য, ‘ফার্ম উত্তরপূর্ব -2 প্রকল্পের নির্দেশক দীপা দাস এবং সেবা কেন্দ্র শিলচরের তরফে সিস্টার নির্মলা এতে অংশ নেন।
ফলে জৈব পদ্ধতির উৎপাদনের পরিমাণ বেড়েছে কিন্ত তারা যথাযথ বাজার পাচ্ছেন না। তাদের উৎপাদিত শাকসব্জি গুলোকে সঠিক মুল্য পাইয়ে দিতেই আজকের এই প্রদর্শনীর আয়োজন।
এই প্রদর্শনীটি তাদের আরো উৎপাদন করতে উৎসাহ দেবে এবং শহরের মানুষও এই ধরনের পণ্য সম্পর্কে সচেতন হবেন।
দীপা দাস বলেন যে কুরিতাস ইণ্ডিয়া তাদের ‘ফার্ম উত্তরপূর্ব -2’ প্রকল্পের অধীনে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন অঞ্চলে কাজ করছে এবং জৈব চাষের প্রয়াসকে উন্নত করা তাদের প্রধান লক্ষ্যগুলির মধ্যে একটি। বরাক উপত্যকার তিনটি জেলার ৪৩ টি গ্রাম জৈব চাষে জড়িত এবং আরো গ্রামগুলি এগিয়ে আসতে ইচ্ছুক। আমরা ভবিষ্যতে এমন আরো প্রদর্শনীর আয়োজন করব।

নাবার্ড এবং কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের কর্মকর্তারা কিষান মেলার উদ্যোগটির প্রশংসা করেন এবং এ অঞ্চলে ওর্গানিক ফার্মিংয়ের উন্নয়নের ক্ষেত্রে নেওয়া এধরনের উদ্যোগকে সাহায্য করারও আশ্বাস দেন। পি চৌধুরী বলেন, কে ভি কে এই ধরনের উদ্যোগকে সমর্থন করতে ইচ্ছুক এবং আমরা ভবিষ্যতে তাদের সব ধরনের প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করবো।
সিস্টার নির্মলা অনুষ্ঠানে বলেন, বরাক উপত্যকার তিন জেলায় জৈব পদ্ধতিতে কৃষি ব্যবস্থাকে উন্নত করার লক্ষ্যে প্রায় দুই দশক ধরে কাজ করেছেন তারা। আমাদের অঞ্চলে কৃষকরা এ ব্যাপারে সচেতন নয়। ১৯৯৭ সাল থেকে আমরা এই অঞ্চলের দরিদ্র চাষীদের মধ্যে এটি প্রচার করছি। বিভিন্ন গ্রামে কৃষকদের সংগঠিত করেছি এবং তাদের জন্য জমির ব্যবস্থা করেছি যেখানে তারা সব্জি চাষ করে। সেবা কেন্দ্র কৃষকদের মধ্যে বীজ, জৈব সার ইত্যাদি সরবরাহ করে এবং এতে অন্যান্য সংস্থাও সহায়তার হাত বাড়ায়।
ফলে জৈব পদ্ধতির উৎপাদনের পরিমাণ বেড়েছে কিন্ত তারা যথাযথ বাজার পাচ্ছেন না। তাদের উৎপাদিত শাকসব্জি গুলোকে সঠিক মুল্য পাইয়ে দিতেই আজকের এই প্রদর্শনীর আয়োজন।
এই প্রদর্শনীটি তাদের আরো উৎপাদন করতে উৎসাহ দেবে এবং শহরের মানুষও এই ধরনের পণ্য সম্পর্কে সচেতন হবেন।

দীপা দাস বলেন যে কুরিতাস ইণ্ডিয়া তাদের ‘ফার্ম উত্তরপূর্ব -2’ প্রকল্পের অধীনে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন অঞ্চলে কাজ করছে এবং জৈব চাষের প্রয়াসকে উন্নত করা তাদের প্রধান লক্ষ্যগুলির মধ্যে একটি। বরাক উপত্যকার তিনটি জেলার ৪৩ টি গ্রাম জৈব চাষে জড়িত এবং আরো গ্রামগুলি এগিয়ে আসতে ইচ্ছুক। আমরা ভবিষ্যতে এমন আরো প্রদর্শনীর আয়োজন করব।
Comments are closed.