
শিলচর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগী কোভিড পজিটিভ: শল্যচিকিৎসা কক্ষ কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষিত, কোয়ারান্টাইনে ডাক্তার, স্বাস্থ্য কর্মী
৪৫ বৎসর বয়স্ক খলিলুর রহমান বৃহস্পতিবার শিলচর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসেছিলেন পেট ব্যথার উপসর্গ নিয়ে । ছিল না করোনার কোন লক্ষণ, তাই তাকে সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছিল, কথা ছিল পেটের অপারেশন হবে শুক্রবার।
সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তার থ্রোট সোয়াব টেস্ট টেস্ট করানো হয়, রিপোর্ট দেখে চক্ষু চড়কগাছ সকলের, দেখা যায় তিনি কোভিড পজিটিভ। সাথে সাথে নড়েচড়ে বসেন মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ; তড়িঘড়ি তাকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়। এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকেন হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডাঃ বাবুল বেজবরুয়া। ঐ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালে সুপারিনটেনডেন্ট ডাঃ অভিজিৎ স্বামী, সিনিয়র ডাক্তাররা এবং উচ্চস্তরের আধিকারিক বৃন্দ। রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযোজিত হন এই বৈঠকে। “আমরা স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ঘটনা সংক্ষেপে অবগত করাই এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমাদেরকে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর অনুযায়ী প্রটোকল মেনে কাজ করতে বলেন”, জানালেন অধ্যক্ষ ডাক্তার বাবুর বেজবরুয়া।
তিনি আরো জানান ওই কক্ষে ১৩ জন আরো রোগী ছিলেন। ওই রোগী এবং তাদের সঙ্গে থাকা লোকেদের লালা রস পরীক্ষা হচ্ছে। যে কক্ষে খলিলুর রহমানকে রাখা হয়েছিল ওই কক্ষ কনটেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, রোগীদের অন্য কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, ডাঃ সিদ্ধার্থ ভট্টাচার্য সহ যে সকল চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা ফজলুর রহমানের চিকিৎসায় নিয়োজিত ছিলেন তেমন ২৯ জনকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে এবং তাদেরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে ।
এখানে উল্লেখ্য, করিমগঞ্জ জেলার এংলার বাজার এলাকার বাসিন্দা খলিলুর রহমানের সাম্প্রতিককালে কোন ভ্রমণ বৃত্তান্ত নেই, তাই তাঁর সংক্রমণ নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
Comments are closed.