Also read in

শুরু হল সুপার ডিভিশন ক্রিকেট, দশজনের যোগাযোগের বিরুদ্ধে সহজ জয় ইটখোলার

শনিবার থেকে শুরু হলো জেলার সবচেয়ে বড় লিগ নারায়ন পাল স্মৃতি প্রাইজমানি সুপার ডিভিশন লিগ কাম নকআউট ক্রিকেট। তবে প্রথম ম্যাচটাই ছিল একেবারে ফ্লপ শো। জেলার সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট অথচ এমন একটা প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচে পুরো দলই নামাতে পারল না যোগাযোগ সংঘ। তারা খেললো দশ জনে। এরপর ব্যাটিং ব্যর্থতায় কেবল ৬৮ রানে লুটিয়ে পড়লো তাদের ইনিংস। ফলে ৯ উইকেটের সহজ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লো ইটখোলা এসি।

দু’দিন আগেই অসম প্রিমিয়ার ক্লাব কাপের ফাইনালেও এভাবেই ভেঙে পড়েছিল যোগাযোগের ব্যাটিং লাইনআপ। সেদিন খেতাবি লড়াইয়ে ইন্ডিয়া ক্লাবের বিরুদ্ধে ৬০ রানে অলআউট হয়েছিল যোগাযোগ। ‌ আজও তারা সেই ব্যাটিং ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে পারল না। হতশ্রী ব্যাটিং পারফরম্যান্স করে ১৮.৩ ওভারে ৯ উইকেটে ৬৮ রান তুলতে সক্ষম হয় তারা। উল্লেখযোগ্য রান পান জয়দীপ সিং ১৭, শাহানুর আলম ১৭ ও সিদ্ধান্ত ঘোষ ১২। সমীর সিনহা (৭) আশা জাগিয়ে ইনিংস শুরু করলেও ব্যর্থ হন। মনে হচ্ছে যোগাযোগের ব্যাটসম্যানরা যেন ভুল থেকে শিক্ষা নিতে রাজি নন। ‌ ক্লাব কাপ এর ফাইনালের মত আজও যোগাযোগের জন্য ত্রাস হয়ে দাঁড়ান পেসার সমীক দাস। তিনি নেন তিন উইকেট। এছাড়া শুভজিত পালও নেন তিন উইকেট। দুটি নেন মন্টু দাস।

 

 

এসএম দেব স্টেডিয়ামে এই রান তাড়া করা ইটখোলার জন্য মোটেও কঠিন ছিল না। ‌ তারা কেবল ৭.২ ওভারে সমীকের উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। সঞ্জু ব্রহ্ম ৩৭ ও অমন সিং ২১ রানে অপরাজিত থাকেন। ‌ অতিরিক্ত থেকে আসে ১০। একটিমাত্র উইকেট নেন শাহানুর ইসলাম। দুরন্ত বোলিং এর জন্য ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন সমীক দাস। তার হাতে ট্রফি তুলে দেন অভিষেক চক্রবর্তী। এর আগে ক্লাব কাপের ফাইনালেও সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন সমীক।

তিন দিনের ব্যবধানে দু-দুবার এ ধরনের হতশ্রী পারফরম্যান্স নিয়ে এবার ভাবা উচিত যোগাযোগ ম্যানেজমেন্টের। ক্লাব কাপ এর লিগ ম্যাচে দারুণ ছন্দে থাকলেও হঠাৎ করে যেন আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন যোগাযোগের ব্যাটসম্যানরা। ফলে বোলাররাও কোন কিছু করারও সুযোগ পাচ্ছেন না।

Comments are closed.

error: Content is protected !!